এস ই ও (সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন) শিখুন টাকা আয় করুন

এস ই ও কি?:

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনকে সংক্ষেপে বলা হয় SEO। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমিজেশন এক ধরনের প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোন সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলা হয়। সার্চ ইঞ্জিনে একটি সাইটকে অন্তরর্ভূক্ত করে সারা বিশ্বে ব্যবহারকারীদের সামনে নিজের সাইটকে পরিচিত করার পদ্ধতিকে এস.ই.ও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO/ Search  Engine Optimization) বলে। সার্চ ইঞ্জিন, ওয়েবপেইজকে অনুসন্ধানকারীর সার্চবারে ব্যবহারকৃত কী-ওয়ার্ড এর উপর ভিত্তি করে ফলাফলের তালিকায় প্রথম দিকে দেখানোর চেষ্টা করে। যখন একজন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী কোন বিষয় জানার জন্য সার্চ ইঞ্জিনের সার্চ বারে কোন শব্দ (কী ওয়ার্ড) টাইপ করে এবং এন্টার বাটনে প্রেস করে অনুসন্ধান করে, তখন অনেকগুলো সাইটের ঠিকানা মনিটরে ভেসে আসে যার মধ্যে অনুসন্ধানকরী তার জিজ্ঞাসার জবাব পেয়ে যান। সব ওয়েবসাইট মালিকদের লক্ষ্য থাকে সার্চ রেজাল্টের প্রথম পৃষ্ঠার দশটি ওয়েবসাইটের মধ্যে নিজের ওয়েবসাইটকে নিয়ে আসা। এর মূল কারন হচ্ছে ব্যবহারকারীরা সাধারণত শীর্ষ দশের মধ্যে তার কাঙ্কিত ওয়েবসাইটকে না পেলে দ্বিতীয় পাতায় না গিয়ে অন্য কোন শব্দ ব্যবহার করে পুনরায় সার্চ করেন। সাধারনত ব্যবহারকারী প্রথমপাতার লিস্টের প্রথম দিকে যেসকল ওয়েবসাইটের ঠিকানা থাকে তার মধ্যেই বেশী প্রবেশ করেন। এজন্য সকল ওয়েবসাইট মালিক চায় তার ওয়েবসাইটি যেন সার্চ ফলাফল পেইজের প্রথমে থাকে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এস.ই.ও.) উপর ভিত্তি করে ক্রমানুসারে ওয়েবসাইটগুলির প্রদর্শনের ক্ষেত্রে যে কেন একটি সাইট আগে এবং অপরটি পরে আসে। এস.ই.ও হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইটকে একটি নিদিষ্ট শব্দ(কী ওয়ার্ড) এর উপর ভিত্তি করে সার্চ ইঞ্জিনে একটি গুরুত্বপূর্ন পজিশন দখল করে রাখা যায়। এর ফলে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের সার্চ রেজাল্টে কাঙ্কিত ওয়েবসাইটি অন্য সাইটকে পেছনে ফেলে সবার আগে প্রদর্শিত হতে পারে। এই ধরনের সার্চ রেজাল্টকে অরগানিক বা ন্যাচারাল সার্চ রেজাল্ট বলে। সার্চ রেজাল্ট এর শীর্ষ দশে থাকার মানে হচ্ছে ওয়েবসাইটে বেশি সংখ্যক ভিজিটর পাওয়া আর বেশি সংখ্যক ভিজিটর পাওয়ার মানে হচ্ছে বেশি আয় করা। এজন্য সবাই মরিয়া হয়ে নিজের ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের জন্য উপযুক্ত করে তুলেন। সার্চ ইঞ্জিনের প্রধান কাজ হল ভিজিটর যে তথ্য পাওয়ার জন্য ওয়ার্ড (এস ই ও এর ভাষায় কি ওয়ার্ড)  সার্চ ইঞ্জিন এ লিখে সার্চ করে সেই ওয়ার্ড গুলোর জন্য সেরা বা রিলেটেড রেজাল্ট গুলো পর্যায়ক্রমে ভিজিটরের সামনে তুলে ধরা। ভিজিটররা সাধারণত সার্চ রেজাল্টের প্রথম ১ থেকে ২ পেইজের মধ্যে নিজের আশানুরুপ সাইটটি খুঁজে নেবার চেষ্টা করে। যদি না পায় তাহলে ভিন্ন কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করে। এ কারণে সব ওয়েবসাইট মালিক নিজের সাইটটাকে একটা নিদৃষ্ট কিওয়ার্ডের মাধ্যমে সার্চ রেজাল্টে সবার উপরে নিয়ে আসে।

সুতারং এখন বলা যায়, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন(এস.ই.ও.) মূলত কিছু কৌশলের সমন্বয়। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এ দুটি শব্দ যোগ হয়েছে। একটি হলো সার্চ ইঞ্জিন এবং অপরটি হলো অপটিমাইজেশন। SEO হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন-কে অপটিমাইজেশন করার এক ধরনের প্রযুক্তিগত ওয়েব কৌশল। সার্চ ইঞ্জিন হতে কোন একটি ব্লগ/ওয়েবসাইটকে সার্চ রেজাল্টের ভাল অবস্থানে অথবা প্রথম পাতায় নিয়ে আসার কৌশল বা প্রক্রিয়াকেই Search Engine Optimization বলা হয়। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (Search Engine Optimization) এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে যে কেউ সার্চ ইঞ্জিন ব্যাবহার করে একটি ওয়েব সাইটকে বিনামূল্যে সকলের কাছে পৌছে দিতে পারে। আবার এভাবে ও বলা যায়, যে সকল সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে অনলাইন ভিত্তিক কোন সেবা/ওয়েব সাইট/ব্লগের মার্কেটিং করাই হচ্ছে এস ই ও। এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন বলতে আমরা সোজা কথায় বুঝি সার্চ ইঞ্জিনের সাথে ওয়েবসাইটের ভাল সম্পর্ক তৈরি করা। সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন ছাড়া একটা ওয়েবসাইট কখনোই পূর্ণতা পায় না কারন কোটি কোটি সাইটের মধ্যে অবস্থান প্রথম সারিতে তৈরি করতে হলে এর বিকল্প নেই।

সার্চ ইঞ্জিন কি?:

সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে এক ধরণের অনলাইন ডাটা স্টোরেড সার্চ মেশিন। যাহা বিভিন্ন ধরণের ডাটা বা তথ্য অনলাইন ডাটাবেজে জমা করে রাখে এবং ভিজিটরের প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন তথ্য বা সেবা প্রদান করে থাকে। ভিজিটর তার সার্চ সর্ম্পকিত সকল ধরণের তথ্য খুব সহজেই সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করে পেয়ে থাকেন। সার্চ ইঞ্জিন তার এই কাজ টি করতে সময় নেয় মাত্র ন্যানো সেকেন্ড। সহজ ভাষায় বলা যায় সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে ইন্টারনেটে কীয়ার্ডের মাধ্যমে কোন কিছু খোঁজার এক ধরনের সফটওয়ার বা এপ্লিকেশন। যেখানে কোন কিছু লিখে সার্চ দিলেই চোখের পলকে যে কোন বিষয়ে হাজার হাজার তথ্য সামনে হাজির করবে। প্রথম Search Engine হিসেবে www.excite.com আত্মপ্রকাশ করে। সম্প্রতি সময়ের সবচাইতে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে Google. এ ছাড়াও জনপ্রিয়তার তালিকায় রয়েছে Bing, Yahoo, Ask ও Yandex সার্চ ইঞ্জিন। নিম্নে কিছু জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিনের নাম উল্লেখ করা হলো:

  • google.com
  • yahoo.com
  • bing.com
  • ask.com
  • msn.com
  • aol.com
  • altheweb.com
  • altavista.com

সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে:

সার্চ ইঞ্জিন তার নিজস্ব সফ্টওয়ার এর মাধ্যমে কাজ করে থাকে। সফ্টওয়ারটির নাম ক্রউলার। সার্চ ইঞ্জিন তার স্বয়ংক্রিয় ক্রউলার বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা ব্লগে পাঠায়, ক্রউলার অনলাইনে ওয়েবসাইট বা ব্লগ থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা সংগ্রহ করে, নিজস্ব ডাটা বেজে বা ডাটা সেন্টারে জমা রাখে। সার্চ ইঞ্জিন ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর সকল ধরনের ওয়েবসাইটসহ প্রত্যেকটি সাইটের সকল লিংক ভিজিট অর্থাৎ Crawling (ক্রলিং) করার মাধ্যমে সকল প্রকার ডাটাবেজ Index করে Save করে নেয়। পরবর্তীতে সার্চ ইঞ্জিন এর অনুসন্ধান অনুযায়ী ওয়েবসাইট বা ব্লগের Index করা ভালমানের ডাটাগুলি সার্চ রেজাল্টে ক্রমান্বয়ে প্রকাশ করে থাকে। এ ক্ষেত্রে যত ভালভাবে ওয়েবসাইট বা ব্লগটি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করা হবে, সার্চ রেজাল্টের তত উপরে ওয়েবসাইট বা ব্লগটির কনটেন্ট দেখতে পাওয়া যাবে। সার্চ ইঞ্জিনগুলো তৈরি হয়েছে, মানুষের তথ্য খুজে পাওয়ার জন্য। সেজন্য কোন কিছু সার্চ দিলে যাতে সবচাইতে সেরা তথ্য খুজে পাওয়া যায় সেজন্য সার্চইঞ্জিন সাইটগুলো কিছু পোগ্রাম তৈরি করে রাখে। যেটি সকল সাইটগুলোর মধ্যে কিছু বিষয় তুলনা করে সেরা সাইটগুলোকে সার্চের সামনে নিয়ে আসে। সেরা সাইট নির্বাচন করার জন্য তারা দেখে ওয়েবসাইটটির মানসম্মত কিনা, ওয়েবসাইটের তথ্য সকলের জন্য প্রয়োজনীয় কিনা, ওয়েবসাইটটি কেমন জনপ্রিয় এগুলোসহ আরও কিছু বিষয় নিয়ে ফলাফল প্রদর্শন করে।

ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে দৃষ্টিগোচর করতে যে বিষয়গুলোতে দৃষ্টিপাত করা হয়:

  • ওয়েবসাইটের টাইটেলঅথবা নাম।
  • ওয়েবসাইটের ডেসক্রিপশন অথবা বিবরণ।
  • ওয়েবসাইটের মেটা ট্যাগ।
  • ওয়েবসাইটের সাইট ম্যাপ।
  • ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলোর টাইটেল অথবা নাম।
  • ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলোর অল্ট বিবরণ।
  • ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলোর ক্যাপশন ইত্যাদি।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কেন বা কি উদ্দেশ্যে করা হয়?:

  • এর মাধ্যমে ওয়েবসাইটকে সকলের কাছে সহজে পৌছে দেওয়া।
  • ওয়েবসাইটের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করা।
  • ওয়েবসাইটের ভিজিটর বা ট্রাফিক বৃদ্ধি করা।
  • বিভিন্ন ধরনের অনলাইন আয় করার প্লাটফর্ম হিসাবে কাজ করে।
  • বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দিয়ে সাইট হতে আয় করা।
  • তথ্য বিনিময় ও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার শক্ত ভিত হিসাবে কাজ করে।

এস ই ও এর সুবিধা গুলো কি কি?:

  • ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা ওয়েবসাইট/ব্লগকে অনলাইনে দ্রুত পরিচিত করা যায় ।
  • অনলাইনে ব্যবহারকারীদের মনে এবং ক্রেতাদের মনে ভালো মানসিকতা তৈরি যায়।
  • ওয়েবসাইট/ব্লগ বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের, অনলাইন ভিত্তিক অনেক বেশি ভিজিটর/ক্রেতা পাওয়া যায়।
  • দিন দিন ব্যবসায় পণ্যের বিক্রি বাড়বে অনেকাংশে।
  • ব্যবহারকারীগন হতে পারে ভবিষৎক্রেতা।

এস ই ও করার সময় চারটি বিষয় মনে রাখতে হয়:

  • Keyword Research.
  • Keyword Analysis.
  • On page SEO.
  • Off page SEO.

এস ই ও করতে কমন কিছু ওয়ার্ড ব্যবহৃত হয়:

  • Keyword
  • URL
  • Link
  • Visitor
  • Page Rank
  • Meta Tag
  • Back Link

এস ই ও এর প্রকার ভেদ এবং পদ্ধতি:

এসইও দুই প্রকার । যথাঃ অরগানিক এসইও বা ফ্রি এসইও এবং পেইড এসইও।

অরগানিক এসইও বা ফ্রি এসইও: যে এসইও এর কারণে প্রতি ক্লিকের বা ভিজিটরের বিনিময়ে গুগলকে কোন টাকা পরিশোধ করতে করতে হয় না। এটা একটা ফ্রি পদ্ধতি যাতে কোনা টাকা দিতে হয় না সার্চ ইঞ্জিনকে।

পেইড এসইও: যে এসইও এর কারণে প্রতি ক্লিকের বা ভিজিটরের বিনিময়ে গুগলকে টাকা পরিশোধ করতে হয়। এই এসইও এর ফলে ওয়েবসাইট খুব তাড়াতাড়ি গুগল সার্চের প্রথমে চলে আসে। এই পদ্ধতিতে সার্চ ইঞ্জিনকে টাকা দিয়ে সার্চ ইঞ্জিনের সার্চে আসতে হয়। যতদিন টাকা দেয়া হবে ততো দিন সার্চ ইঞ্জিনের সার্চে থাকবে ওয়েবসাইটি বা ব্লগটি।

অরগানিক এসইও আবার দুই প্রকার যথা:

অন পেইজ এস ই ও (On Page SEO)

অফ পেইজ এস ই ও (Off Page SEO)

অন পেইজ এস ই ও (On Page SEO):  অন পেইজ অপটিমাইজেশন হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে একটি সাইটকে সহজেই সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পৃষ্ঠায় নিয়ে আসা সম্ভব। এর জন্য  অবশ্যই ত্তয়েবসাইট ডিজাইন এবং ডেভলপমেন্টের উপর কিছু হলেত্ত ধারণা থাকতে হবে। এডমিন প্যানেলে লগ ইন করে ওয়েবসাইটের কাজ করতে হয়। একটি ওয়েবসাইটের ডিজাইন করার সময় কিছু সার্চ ইঞ্জিন করা হয়। যেন, ওয়েবসাইটটি সহজেই সার্চ ইঞ্জিন এ খুঁজে পায়। এটাই হচ্ছে অনপেইজ অপটিমাইজেশন। অনপেইজ অপটিমাইজেশন সার্চ ইঞ্জিন এর সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। অনেক দক্ষতার সাথে অনপেইজ অপটিমাইজেশনের কাজ করতে হয়। কেননা, অনপেইজ অপটিমাইজেশন ভুল হলে সেই ওয়েবসাইটটি আর সার্চ ইঞ্জিন এ খুঁজে পাবে না। ব্লগ বা ওয়েব পেইজের মধ্যে যে সকল অপটিমাইজেশন করা হয় তাকেই অন পেইজ অপটিমাইজেশন বলা হয়। অন পেইজ অপটিমাইজেশনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হল সঠিক কিওয়ার্ড খোঁজা এবং এর ব্যাবহার, মেটা ট্যাগের ব্যবহার, টাইটেলে ট্যাগের ব্যবহার, বর্ণনা ট্যাগের ব্যবহার, কী ওয়ার্ড সমৃদ্ধ কনটেন্ট বনানো এক্সএমএল সাইটম্যাপ যুক্ত করণ ইত্যাদি। HTML code, Meta tags, Keyword ইত্যাদির সাহায্যে একটি সাইটকে সহজেই সার্চ ইঞ্জিন বান্ধব করে তোলা যায়।যে সাইট যত সমৃদ্ধ হবে সেই সাইট সার্চ করতে গেলে প্রথম দিকে থাকবে।

অফ পেইজ এস ই ও (Off Page SEO): এডমিন প্যানেলে লগ ইন না করে বাইরে থেকে ওয়েব সাইটের কাজ হয়। ওয়েবসাইট এর ট্রাফিক বা ভিজিটর বাড়াতে অফপেইজ অপটিমাইজেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অফ পেইজ অপটিমাইজেশন আসলে অন পেইজ অপটিমাইজেশনকে সাহায্য করে। অফ পেইজ অপটিমাইজেন একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং স্থায়ী সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেন যার মাধ্যমে প্রতিযোগিতামুলক রেঙ্কিং এ একটি ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম সারিতে অন্তর্ভুক্ত করা যায়। সাধারনত উন্নত ব্যাকলিংক, আর্টিকেল মার্কেটিং, ফোরাম পোস্টিং ইত্যাদির মাধ্যমে অফ পেইজ অপটিমাইজেশন করা হয়। অফ পেইজ অপটিমাইজেশন শুধুমাত্র একটি পাতায় নয় এর সঠিক ব্যাবহার পুরো ব্লগের বা ওয়েবসাইটের উপরে পরবে অর্থাৎ এর ফলে ব্যাকলিংক বৃদ্ধি পাবে এবং পেইজ রেঙ্ক বেড়ে যাবে। তাই চেষ্টা করা উচিত ওয়েবসাইট এর কন্টেনটগুলো যেন অন্যান্য ওয়েবসাইট থেকে একটু আলাদা হয়। এর পরে কন্টেনট অনুযায়ী কিছু জনপ্রিয় কীওর্য়াড কন্টেনট পেইজ এ যোগ করে দিতে হবে। অনপেইজ এর পাশাপাশি একটি সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের ভালো অবস্থানে ধরে রাখতে গেলে অবশ্যই অফ পেইজ অপটিমাইজেন করতে হবে। অনপেইজ এর মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিন থেকে যে সকল সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করতে পারা যায় না, তাহা অফ পেইজের মাধ্যমে অনেকাংশে সফলতা অর্জন করা সম্ভবপর হয়। তবে যদি কেউ এটি কে পরিপূর্ণ ভাবে কাজে লাগাতে সক্ষম হয় তবে সে সফল হবে। এই পদ্ধতিতে অনেক ভিজিটর পাওয়া সম্ভব বিধায় সাইট এর অবস্থান ভালো থাকে। Forum Posting, Article Submit, Backlink Submit করা ইত্যাদি অফ পেইজ অপটিমাইজেশন।

এসইও কে আরো দুই ভাগে ভাগ করা যায়, যথা: ব্লাক হেড এসইও এবং হোয়াইট হেড এসইও।

ব্লাক হেড এসইও (Black Head SEO): অন্য সাইটের কনটেন কপি-পেস্ট, এডিট করার মাধ্যমে আটিকেল তৈরী করে ওয়েবসাইটে দিয়ে তারাতারি গুগল সার্চের প্রথম বা দ্বিতীয় পৃষ্টায় আসা। দীর্ঘমেয়াদী ফললাভের জন্য এটি মোটেও উপযোগী নয়। এটি একটি অবৈধ পদ্ধতি।

হোয়াইট হেড এসইও (White Head SEO): সঠিক পদ্ধতি মাফিক এস ই ও করে দীর্ঘমেয়াদী ফললাভ করার প্রক্রিয়াকে White Head SEO বলে। এটি একটি বৈধ পদ্ধতি যা সার্চ ইঞ্জিনের কাজের কিছু নিয়ম এবং শর্ত অনুসরন করে বা মেনে করা হয়।

এস ই ও করার জন্য কিকি দরকার:

  • ডোমেইন নেম নির্বাচন
  • ভাল এবং ফাস্ট একটি ওয়েব সার্ভার
  • সঠিক ভাবে ওয়েব সাইটের মেটা ট্যাগিং
  • SEO Friendly URL
  • কিছু প্রয়োজনীয় ট্যাগ ও টিপস
  • সঠিক কোডিং

এস ই ও কিভাবে করা যায়:

  • স্যোসাল মাকেটিং (Social Marketing)
  • Bookmarking
  • ব্লগ ও ফোরাম পোষ্টিং
  • সার্চ ইঞ্চিন সাবমিশন
  • গুগল ওয়েবমাষ্টার টুল
  • পিং
  • RSS ফিড
  • পেইড সার্ভিস (Advertisement)

কি-ওয়ার্ড কি?:

কি -ওয়ার্ড হলো আমরা যখন Google বা Yahoo বা অন্য সার্চ ইঞ্জিন এ বিভিন্ন ওয়ার্ড বা লাইন লিখে সার্চ দেই  যেমন: Free Movies, Hollywood Movies ইত্যাদি। এই প্রতিটি লাইন বা শব্দ হলো এক একটি কি-ওয়ার্ড। যে সকল শব্দসমষ্টিকে নিয়ে ওয়েবসাইটটি গঠন করা হয় এবং যে সকল মূলশব্দকে নিয়ে SEO করার জন্য বাছাই করা হয় তাকে কি-ওয়ার্ড বলা হয়। SEO এর ভাষায় কি-ওয়ার্ড হল যে শব্দকে নিয়ে কাজ করা হবে। অর্থাৎ কোন information বের করার জন্য সার্চ ইঞ্জিন এ যা কিছু লিখে সার্চ দেয়া হয় তাকেই SEO এর ভাষায় Keyword বলা হয়।

 

কি-ওয়ার্ড কিভাবে কাজ করে?:

মনেকরি Software এর উপর একটি ওয়েব সাইট বা ব্লগ সাইট আছে তাহলে এখন  ভিজিটর এই সাইট এ যেতে অবশ্যই লিখবে না free Movies তারা লিখবে Software, free software ইত্যাদি। এই রকম হাজারো ওয়েবসাইট আছে Software এর উপর। এখন Software এর উপর এমন একটি কি-ওয়ার্ড (Keyword) নির্বাচন করতে হবে যার প্রতিযোগী কম এবং ভিজিটর বেশি। কিছু প্রসেস অনুসরণ করে এমন একটি কি-ওয়ার্ড বেছে নিতে হয় যেন ভিজিটরস সার্চ ইঞ্জিন এ কি-ওয়ার্ড সার্চ করলেই প্রথমেই আমাদের ওয়েবসাইটের কি-ওয়ার্ডটি চলে আসে। এই প্রসেসটিকেই Keyword Research রিসার্স বলে। একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট তৈরি করার ক্ষেত্রে প্রথমে একটি ভালো কি-ওয়ার্ড (Keyword) বেছে নিলে ভালো হয়। নিচে কিছু সাইট এর লিংক দেওয়া হলো যার মাধ্যমে সঠিক কি-ওয়ার্ড (Keyword) বেছে নেওয়া যাবে।

https://adwords.google.com/o/KeywordTool
http://www.wordtracker.com/
http://www.bing.com/toolbox/keywords

কি-ওয়ার্ড এর ব্যবহার:

কি-ওয়ার্ড (Keyword) এর ব্যবহার সম্পর্কে নিম্নে আলোচনা করা হলো:

১) ডোমেন নেইম

ডোমইন নেম হল একটি ওয়েবসাইটের নাম বা পরিচয়। ডোমেন নেইম (Domain Name) একটি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ন বিষয়। এমন নাম দিতে হবে যেন নামের সাথে ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তুর মিল থাকে। সার্চ ইঞ্জিন প্রথমে সার্চ করার সময় Domain URL সার্চ করে। এই জন্য ডোমেন নেইম এর প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। যে বিষয় নিয়ে এসইও করা হবে সে বিষয় এর সাথে ডোমেইন নামের মিল থাকতে হবে। ওয়েবসাইটের নামে কোন symbol বা সংখ্যা না রাখাই ভাল। কারন মানুষ এই symbol টাকে মনে রাখতে পারে না। ডোমেইন নেম সহজ ও ছোট হওয়া ভাল। ডোমেইন নেইম এর এক্সটেনশন .com, .net, .biz, .info, .org এই সব হলে বেশি ভাল হয়।

 

২) ওয়েবসাইটের টাইটেল নির্ধারন: একটি ওয়েবসাইটের টাইটেল ওই সাইটির সকল বিষয়বস্তু তুলে ধরে। টাইটেল এর দ্বারা দুইটি সুবিধা পাওয়া যায়। একটি হলো সার্চ ইঞ্জিনে ওই ওয়েবসাইট খুঁজে পাওয়া এবং অন্যটি হলো ওই সাইটিতে যাতে অনেক ভিজিটর আসে ও ভালো ফিডব্যক পাওয়া যায়। সুতরাং কি-ওয়ার্ড এর জন্য সাইট টাইটেল অনেক গুরুত্বপূর্ন। ওয়েবসাইটটি যেই শিরোনাম দিয়ে সার্চ ইঞ্জিন এ প্রদর্শন করতে চাই ঠিক সেই শিরোনামটি সাইটের টাইটেল এ লিখতে হবে। যেমন আমার ডোমেইন নেইম https://outsourcingservicesproviderbd.com/ এবং আমি চাই সার্চ ইঞ্জিন এ Outsourcing Services Provider লিখে সার্চ দিলে সার্চ ইঞ্জিন আমার সাইটের টাইটেল “Outsourcing Services Provider” প্রদর্শন করবে।

৩) আর্টিকেল বা কনটেন্ট লেখা:

আর্টিকেল লেখার জন্য কি-ওয়ার্ড অনেক গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করে থাকে। আর্টিকেল লেখার সময় খেয়াল রাখতে হবে প্রতি ১০০ ওয়ার্ডের জন্য সর্বনিম্ন ৩টা কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করা। সাধারনত বাছাই করা কি-ওয়ার্ড এর উপর ভিত্তি করে কনটেন্ট বা আর্টিকেল লিখতে হয়। বিষয় বস্তুর সাথে মিল রেখে কি-ওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে। কনটেন্ট বা আর্টিকেল লেখার সময় কি-ওয়ার্ড ব্যবহারের উপর জোর দিতে হবে। বাছাই করা কি-ওয়ার্ডটি লিখিত কনটেন্ট বা আর্টিকেলের প্রথম ২০০টি শব্দের মধ্যে রাখতে হবে। এতে করে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে অনেক ভালো ফল পাওয়া সম্ভব।

ব্যাকলিংক কি?

ব্যাকলিংক হল নিজের ওয়েবসাইটের একটি লিংক অন্য কোন ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা। নিজের ওয়েবসাইট এর লিংক অন্য কোন ওয়েবসাইটে সাবমিট করে কোন না কোন ভাবে ভিজিটরকে আকৃষ্ট করা এবং এটি সরাসরিও হতে পারে আথবা অন্য কোন ভাবেও হতে পারে। এটি হচ্ছে একটি এক্সটারনাল লিংক (External Link) যা অন্য একটি ওয়েবসাইট থেকে নিজের ওবেসাইট পেয়ে থাকে। আরো সহজভাবে বললে, যখন একটি ওয়েবসাইট অন্য একটি ওয়েবসাইটকে একটি লিংক দেয়। ব্যাকলিংক হচ্ছে একটি ওয়েবসাইটের পেইজের রাংক বাড়ানোর মূল হাতিয়ার। Search Engine Optimization (SEO) এর পরিভাষায় Backlinks বলতে বুঝায় অন্যের ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইটের সাথে নিজের ব্লগটির Hyperlink তৈরী করা, যার মাধ্যমে উক্ত লিংক থেকে নিজের ব্লগে ভিজিটর আসার সম্ভাবনা তৈরী করে দেয়। আরও সহজভাবে বলা যায় যে, Backlink মানে হচ্ছে অন্যের ব্লগের সাথে নিজের ব্লগটি Linking করা, অর্থাৎ নিজের ব্লগের Url টি অন্য কারও ব্লগে সংযোগ করা।

ব্যাকলিংক এর গুরুত্বঃ

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর ক্ষেত্রে ব্যাকলিংক খুবই গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। নিজের ব্লগটিকে সার্চ ইঞ্জিন এর কাছে গুরুত্বপূর্ণ এবং গ্রহনীয় করে তুলতে হলে অবশ্যই ব্লগের ব্যাকলিংক তৈরী করে নিতে হবে। যার ব্লগের ব্যাকলিংক যত বেশী তার ব্লগটি সার্চ ইঞ্জিনের কাছে তত বেশী গ্রহনযোগ্যতা পাবে। নিজের ব্লগের প্রতিটি ব্যাকলিংককে ব্লগের এক একটি ভোট হিসেবে মনে করা যেতে পারে। ব্লগে যত বেশী Dofollow Backlinks থাকবে Page Ranking তত ভাল অবস্থানে থাকবে। গুগল সার্চ ইঞ্জিন Backlinks অনুযায়ি সাবার ব্লগকে Page Rank দিয়ে থাকে, অর্থাৎ যার ব্লগের Backlinks যত বেশী তার ব্লগের Ranking তত ভাল হবে। তবে ব্যাকলিংক বাড়াতে গিয়ে যার তার ব্লগে নিজের ব্লগটি যুক্ত করা ঠিক হবে না। এতে করে Spam এর শিকার হতে পারে।

ব্যাকলিংক কেন দরকার

তিনটি কারনে একটি ওয়েবসাইটের জন্য ব্যাকলিংক করা হয়।

  • অথোরিটি তৈরি করা
  • ​সার্চ ইঞ্জিন রাংক (Rank)কে আসা
  • ​ভিজিটরের সংখ্যা বাড়ানো

​এখানে অথোরিটি বলতে বোঝানো হচ্ছে ওয়েবসাইটের ভ্যালু বাড়বে। যখন নিজের ওয়েবসাইটে বাইরের বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে কোনো ব্যাকলিংক পাবে, তখন সার্চ ইঞ্জিন থেকেও নিজের ওয়েবসাইটিকে গুরুত্ব দিবে এবং রাংক (Rank) প্রদান করবে। আর যখন সার্চ ইঞ্জিনে রাংক (Rank) করবে তখন ওয়েবসাইটর অরগানিক ভিজিটর সংখ্যাও বাড়বে।

ব্যাকলিংক সাবমিশন এর প্রকারভেদ বা বৈশিষ্ট:

ব্যাকলিংক সাবমিশন দুই প্রকার হয়ে থাকে বা একটি লিংক এর ২টি বৈশিষ্ট রয়েছে। যথা:

১) Do Follow

২) No Follow

Do Follow এবং No Follow একে অপরের সংঙ্গে যুক্ত তাই দুটোই সমান ভাবে জরুরি। তবে No Follow লিংক Do Follow ছাড়া তেমন কাজে লাগেনা। কিন্তু আজ কাল Do Follow লিংক এর প্রতিযোগী অনেক বেশি, তাই No Follow এই ক্ষেত্রে অনেক কাজে লাগে।

​১) ডু-ফলো (Do-Follow)

​যদি লিংকের বৈশিষ্ট্য নো-ফলো না করা হয় তাহলে ডিফল্ট ভাবে লিংকটি ডু-ফলো করা থাকে। একটি লিংক যদি ডু-ফলো হয়, এর অর্থ হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন বট লিংকের মধ্যে দিয়ে পাস হয়ে টার্গেট পেজে চলে যাবে। এর ফলে সার্চ ইঞ্জিন বট এই লিংকের কারনে টার্গেট পেজকে রাংক (Rank) পেতে সহায়তা করবে। এক্ষে শুধু ডু-ফলো লিংক হলেই হবে না, যে পেজটি লিংক দিচ্ছে তার অবস্থানও সার্চ ইঞ্জিনে ভালো হতে হবে। তাহলেই এমন ডু-ফলো লিংক পেলে লাভোবান হওয়া যাবে।

২) নো-ফলো (No-Follow)

​নো-ফলো (No-Follow) হচ্ছে একটি HTML Attribute, যা সার্চ ইঞ্জিন বটকে বলে দেয় যে, এই লিংকের জন্য ওই টার্গেট পেজটিকে সার্চ ইঞ্জিন রাংকিং (Ranking) এ যেনো কোনো ভ্যালু দেয়া না হয়। তখন সার্চ ইঞ্জিন বট ঐ লিংটিকে আর ফলো করবে না। আর সার্চ ইঞ্জিন বট যদি লিংটিকে ফলো না করে তাহলে ঐ লিংকের মধ্যে দিয়ে কোনো লিংক জুস (Link Juice) পাস হবে না।  লিংক জুস (Link Juice) হচ্ছে একটি লিংকের পাওয়ার, যার মাধ্যমে লিংকে থাকা পেজটি ভ্যালু পেয়ে থাকে। সাধারনত ওই সকল পেজকে আমরা নো-ফলো দিবো যেগুলি খুব বেশী অথোরিটি সম্পন্ন নয়। যারা ওয়ার্ডপ্রেসে কাজ করে, তাদের জন্য অনেক ভালো একটি প্লাগিন আছে যার মাধ্যমে খুব সহজেই একটি লিংকে নো-ফলো করা যায়, প্লাগিনটি হল: Rel Nofollow CheckBox।

কিভাবে ব্যাকলিংক পাওয়া যায়:

  • আর্টিকেল এর মাধ্যমে
  • ব্লগিং এর মাধ্যমে
  • অন্যের ব্লগে কমেন্ট করার মাধ্যমে
  • ফোরাম পোষ্টের মাধ্যমে
  • ফোরামে কমেন্ট করার মাধ্যমে
  • প্রেস রিলিজের মাধ্যমে।
  • ডাইরেক্টরিতে ওয়েবসাইট সাবমিট এর মাধ্যমে
  • লিংক এক্সচেন্জ এর মাধ্যমে
  • ওয়েবসাইটে এ্যাড দেয়ার মাধ্যমে
  • ব্যাকলিংক কেনার মাধ্যমে। (পেড ব্যাকলিংক) ইত্যাদি

কিভাবে স্থায়ী ব্যাকলিংক তৈরি করা যায়

১) Comment posting: এটি হচ্ছে স্থায়ী ব্যাকলিংক তৈরির একটি জনপ্রিয় এবং সহজ মাধ্যম। তাই মানুষ ব্যাকলিংক তৈরির জন্য এটি ব্যবহার করে থাকে। এর জন্য dofollow comment posting site URL দরকার হয়।

২) Forum posting: এটি হচ্ছে comment posting এর মতই। এর জন্য একটি forum site এ registration করতে হবে। এপর একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে অথবা website URL ব্যবহার করে নতুন একটি বিষয় post করতে হবে। forum site এ signature হচ্ছে ব্যাকলিংক তৈরির আরেকটি পদ্ধতি। বর্তমানে Forum posting খুবই জনপ্রিয় কারন এটি বিপুল পরিমান traffic এবং permanent backlink এর জোগান দেয়।

৩) Article submission: Article submission এর মাধ্যমেও স্থায়ী ব্যাকলিংক তৈরি করা যায়। এর জন্য ভাল মানের এবং নতুন Article লিখতে হবে। এর জন্য যেকোন article submission site এ registration করতে হবে এবং ওয়েবসাইট URL ব্যবহার করে article টি submit করতে হবে। অথবা site URL-টি article sources box এ দিতে হবে।

৪) Press release: এটি হচ্ছে একটি পত্রিকার মত। এখানে ওয়েবসাইট URL ব্যবহার করে একটি আটিকেল লিখতে হবে এবং Press release site এ submit করতে হবে। অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁরা আটিকেলটি প্রচার করে দিবে। আটিকেল এখন traffic এবং স্থায়ী ব্যাকলিংক তৈরির আরেকটি জনপ্রিয় মাধ্যম।

৫) Social Bookmarking: ইন্টারনেটে আয়ের জন্য বিভিন্ন bookmarks কে organize, store, manage অথবা search করার জন্য এর ব্যবহারকারীর একটি কৌশল। যেকোন একটি Social Bookmarking site এ গিয়ে যেখানে ওয়েবসাইট information সেখানে submit করতে হবে। তা হলে permanent backlink সহ traffic পাওয়া যাবে।

ইন্টারনাল লিংক (Internal Link) এবং এক্সটারনাল লিংক (External Link) কি?

ইন্টারনাল লিংক (Internal Link): যখন একটি ওয়েবসাইটের ভিতরের একটি পেইজের বা পোষ্টের সাথে অপর পেইজের বা পোষ্টের লিংক করা হবে তখন তাকে ইন্টারনাল লিংক বলে। এটিকে Inbound Link ও বলে। সার্চ ইঞ্জিনে একটি সাইট রাংকিং এর ক্ষেত্রে Inbound Link এর গুরুত্ব অনেক বেশী। সঠিক ইন্টারনাল লিংকের মাধ্যমে ওয়েবসাইটের সকল পেইজের বা পোষ্টের মধ্যে লিংক জুস সঠিক ভাবে পাস হতে পারে। এই কারনে, ইন্টারনাল লিংক সাধারনত ডুফলো (Do-Follow) হয়ে থাকে।

এক্সটারনাল লিংক (External Link): যেহেতু, এক্সটারনাল লিংক এর মাধ্যমে বাইরের সাইটকে লিংক দেয়া হয় একারনে এক্সটারনাল লিংক সাধারনত নোফলো (No-Follow) হয়ে থাকে। তবে, এর ব্যতিক্রমও হতে পারে। কারন হাই-অথোরিটি সাইটকে অনেকেই ডু-ফলো লিংক দিয়ে থাকে।

কোয়ালিটি ব্যাকলিংক কি?

কোয়ালিটি ব্যাকলিংক হচ্ছে একটি সম্পর্কিত ব্যাকলিংক অর্থাৎ যদি স্বাস্থ্য সম্পর্কে ব্লগ তৈরি করা হয় তবে স্বাস্থ্য সম্পর্কিত কোন সাইটে প্রকাশিত লিঙ্ককেই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক বলা হয়ে থাকে। ১০০টি সাধারন ব্যাকলিংক যে পরিমান কাজ করবে ১টি কোয়ালিটি ব্যাকলিংক সেই পরিমান কাজ করে থাকে । যেনতেন সাইটে ব্যাকলিংক দিতে থাকলে এতে করে ব্যাকলিংক এর পাহাড় গড়ে উঠে ঠিকই কিন্তু সার্চ ইঞ্জিন সাইটটিকে স্পাম তালিকাভুক্ত সাইটের তালিকায় ফেলে দেয় এতে নিজের অজান্তে সাইট ক্ষতিগ্রস্থ হয়। তাই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক তৈরির দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত।

কিভাবে ডু ফলো ব্যকলিংক তৈরি করা হয়?:

ব্যকলিংক তৈরি করা একটি ওয়েবসাইটকে গুগলে রাংক (Rank) করানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। Do follow ব্যকলিংক তৈরি করতে হলে প্রথমে এমন কিছু ওয়েবসাইট খুঁজে বের করতে হবে যেই সাইট গুলো ডু ফলো ব্যকলিংক দিয়ে থাকে। গুগল এ সার্চ দিয়ে এরকম অনেক সাইট এর লিস্ট পাওয়া যায়। কোন পোস্ট এ গিয়ে নিজের সাইটের লিংক দিয়ে কিছু ভালো কমেন্ট লিখে দিলেই পাওয়া যাবে একটি ডু ফলো ব্যকলিংক।

কিভাবে বুঝা যাবে ব্যকলিংক কাজ করছে?:

এটা বুঝতে হলে পেইজের বা ঐ সাইটের নির্দিষ্ট পেইজটিতে (যেখানে লিংক দেওয়া হয়েছে) গিয়ে এর HTML কোড দেখতে হবে। মাউসের রাইট বাটন এ ক্লিক করে HTML mood এ ক্লিক করতে হবে। এখন দেখা যাবে সাইটের কোডে কোন no follow লেখা আছে কি না। যদি না থাকে তবে বুঝতে হবে ব্যকলিংক তৈরি হয়ে গেছে। আর যদি no follow লেখা থাকে তবে বুঝতে হবে লিংকটি কোন কাজে আসবেনা মানে এই লিংকে কেউ ক্লিক করলে ভিজিটর পাওয়া যাবে ঠিকই কিন্তু গুগলের সার্চ এ কোন বেনিফিট পাওয়া যাবেনা।

কিভাবে ফোরামের জন্য ব্যাকলিংক তৈরী করা যাবে:

রেজিষ্ট্যেশন:

যে ফোরামে সাইটের ব্যাকলিংক তৈরি করা হবে সেটাতে রেজিষ্ট্যেশন করতে হবে। প্রথমে ফোরামে প্রবেশ করে Register এ ক্লিক করতে হবে। এর পরে ফোরাম এর রুলস এ সম্মতি প্রদান করে Register এ ক্লিক করতে হবে। তারপর যাবতীয় তথ্য প্রদান করতে হবে এবং ইমেইল ভেরিফিকেশন এর মাধ্যমে যাবতীয় কার্য সম্পাদন করতে হবে।

প্রোফাইল সেটিং

রেজিষ্ট্যেশন শেষ হয়ে গেলে এর পর কাজ হবে প্রোফাইল সেটিং করা। সবসময় মনে রাখতে হবে কখনো স্প্যামিং এর জন্য ফোরামকে ব্যবহার করা যাবেনা। সবসময় বিষয় ভিত্তি অনুসারে কমেন্ট বা পোস্ট করতে হবে। চেষ্টা করতে হবে কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে। প্রোফাইলে গিয়ে দেখা যাবে যে Home Page URL এর অপশন আছে। ওখানে নিজের সাইটের লিংক ব্যবহার করা যাবে।

সিগ্যনেচার সেটিং

ব্যাকলিংক এর জন্য এটাই সবচেয়ে বড় কাজ। এর জন্য কন্ট্রোল প্যানেল থেকে Edit Signature এ যেতে হবে। এবার ওখান থেকে নিজের সাইটের জন্য একটি কী-ওয়ার্ড বাছাই করতে হবে। এটা ব্যাকলিংক এর এনকোর টেক্স হিসাবে ব্যবহারিত হবে। এই এনকোর টেক্স ব্যাকলিংক ও সার্চ ইন্জিনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এবার লেখাটিকে সিলেক্ট করে ক্লিক করে হাইপারলিংক এ সাইটের লিংক যোগ করতে হবে। তারপর Save Change এ ক্লিক করে বের হয়ে আসতে হবে। এবার যখনই ঐ ফোরামে কোন পোষ্ট বা কমেন্ট করা হবে তখন সেখানেই নিজের সাইটের লিংক দেখা যাবে। ফোরামের রুলস অনুযায়ী এক বা একাধিক লিংক ব্যবহার করা যাবে।

পোষ্ট ও কমেন্ট

ব্যাকলিংক পাবার জন্য ফোরাম গুলোতে কমেন্ট ও পোষ্ট করতে হবে। প্রথম দিকে কমেন্ট দিয়ে শুরু করা যেতে পারে। কমেন্ট করার ব্যাপারে কি ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে তাহা নিম্নোরুপ:

১) কমেন্ট এ অপ্রাসঙ্গিক কোন কিছু লেখা যাবেনা। কেননা ফোরামসমূহের এডমিন সবসময় তৎপর থাকে স্প্যামিং এর ব্যপারে।

২) ভালো কমেন্ট করার জন্য আগে পোস্টটি পড়ে নিতে হবে। এতে করে কমেন্ট করতে খুব সুবিধা হবে।

৩) কমেন্ট এ কোন প্রকার লিংক দেওয়া যাবেনা।

৪) সময় বাচানোর জন্য Thanks for Your Great Post বা Very Good information, Thanks Author ইত্যাদি ধরনের ম্যাসেজ দেওয়া যাবে। পোষ্ট করার সময় সবচেয়ে ভালো হয় কোন বিষয়ে হেল্প চেয়ে পোস্ট করা।

মেটা ট্যাগ কি?

যেকোন ওয়েব সাইটে এসইও করতে হলে আগে অনপেজ অপটিমাইজেসন  করতে হয় আর অনপেজের গুরুত্বপূর্ন যে বিষয়টি রয়েছে তা হল মেটা ট্যাগ যুক্ত করতে হয়। মেটা ট্যাগ হল একধরনের HTML কোড। যার মাধ্যমে ওয়েবসাইট বা ব্লগটি কি সম্পর্কে তৈরী হয়েছে তা সার্চ ইঞ্জিন ও ভিসিটর জানতে পারে। এটি হল HTML এর এমন কিছু ট্যাগ যে গুলো ওয়েবসাইট বা ব্লগ এর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গুলোকে সার্চ ইন্জিনের কাছে প্রকাশ করে থাকে। মেটা ট্যাগে অনেকগুলা বিষয় জড়িত থাকে যেমনঃ- ব্লগের বিবরন, ব্লগের কি ওয়ার্ড, ব্লগের মালিকের নাম, robots ইত্যাদি। এই ট্যাগ ব্যবহারের ফলে সার্চ ইন্জিন বা অন্য ওয়েব ডেভলপাররা জানতে পারে ওয়েবসাইটের লেখক সম্পর্কে, ওয়েবসাইট তৈরীর তারিখ, শেষ আপডেট করার সময় ইত্যাদি। ওয়েবসাইট ডিজাইনের সময় অনেক ধরনের মেটা ট্যাগ নিয়ে কাজ করা হয়। মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ দ্বারা ওয়েবসাইটের কী-ওয়ার্ড ব্যবহারের কাজ করা যায়। এর জন্য ওয়েবসাইটের HTML এডিটর পেজে গিয়ে ট্যাগ এর মধ্যে বাছাই করা কী-ওয়ার্ডটি বসিয়ে দিতে হবে। মেটা ট্যাগ হল বর্ণনামূলক কিছু শব্দ যার মাধ্যমে গুগল বা যে কোন সার্চ ইঞ্জিনকে সাইটটি সম্পর্কে কিছু বিশেষ ধরণের তথ্য দেয়া হয়। সার্চ ইঞ্জিনকে বিশেষ ধরণের কিছু নির্দেশনাও দেয়া যায় মেটা ট্যাগ দিয়ে। বস্তুতঃ মেটা ট্যাগ হল এমন একটি HTML অথবা XHTML যার মাধ্যমে ওয়েবসাইটটি সম্পর্কে কিছু মেটাডাটা সার্চ ইঞ্জিনের কাছে তুলে ধরা হয়। সাইটের <head> সেকশনের মধ্যেই মেটা ট্যাগ লিখে দিতে হয়। মেটা ট্যাগ কখনোই ওয়েব পেইজে দৃশ্যমান হয় না, এটা লুকানো অংশ। এটা ওয়েবপেজের ভিতরে head ট্যাগের মধ্যে থাকে।

মেটা ট্যাগ এর প্রয়োজনীয়তা:

মেটা ট্যাগ এর সাহায্যে সার্চ ইঞ্জিন একি সাথে ভিসিটর ওয়েবসাইট বা ব্লগটি সম্পর্কে জানতে পারে। সকলেই চায় তার ওয়েবসাইটে বেশি বেশি ভিসিটর আসুক, কারন বেশি ভিসিটর মানে বেশি বেশি আয়। আমরা সকলেই চাই সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিসিটর আসুক যেমন গুগল। ওয়েবসাইটি কি সম্পর্কে তৈরী হয়েছে এটা গুগলকে না জানালে গুগল কিভাবে ওয়েবসাইটে ভিসিটর পাঠাবে? মেটা ট্যাগ এর সাহায্যে গুগল সহ অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন ওয়েবসাইটি সম্পর্কে অবগত হবে। তাই যখন কোন ভিসিটর কিছু সার্চ করে এবং ওয়েবসাইটিতে যদি এই বিষয়ে লিখা থাকে, তাহলে সার্চ ইঞ্জিন ওই ভিসিটর কে এই ওয়েবসাইটিতে পাঠিয়ে দিবে। মেটা ট্যাগ দুইটি কারণের জন্য SEO তে গুরুত্বপূর্ন। একটি হলো মেটা ট্যাগ সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্টের পেইজে সাইটের তথ্য সরবারাহ করতে সাহায্যে করে। অন্যটি হলো মেটা ট্যাগের মাধ্যমে ওয়েবসাইটকে SEO তে ভাল স্থানে রাখার পাশাপাশি সাইটের অন্যান্য অংশ বিভিন্ন ভিজিটরদের কাছে প্রকাশ করা।

কিভাবে মেটা ট্যাগ তৈরী করা যায়?

মেটা ট্যাগ তৈরি করার জন্য একটি html এর code এর প্রয়োজন হবে।

<meta content=” এখানে সাইটের বর্ণনা দিতে হবে ” name=”description”/>

<meta content=” এখানে সাইটের keyword গুলো কমা দিয়ে লিখতে হবে।

” name=”keywords”/>

<meta content=” এখানে client এর সাইটের যিনি মালিক তার নাম লিখুন ” name=”author”/>

অথবা,

<meta name=”description” content=” এখানে client এর সাইটের বর্ণনা লিখতে হবে।” />

<meta name=”keywords” content=” এখানে client এর সাইটের keyword গুলো কমা দিয়ে লিখতে হবে।” />

<meta name=”author” content=” এখানে client এর সাইটের যিনি মালিক তার নাম লিখতে হবে।” />

মনে রাখত হবে মেটা ট্যাগে কখনও বড় হাতের লেখা ব্যবহার করা যাবে না, সবসময় ছোট হাতের লেখা ব্যাবহার করতে হবে। তৈরি করা মেটা ট্যাগটি clint এর সাইটের html অপশনের হেড সেকশনের ঠিক নিচেই পেস্ট করতে হবে। তারপর যে কাজটি করতে হবে তা হল সাইট গুগল এবং ইয়াহু তে সাবমিট করতে হবে। এটি করার মাধ্যমেই আসল কাজ শুরু হবে। এ কাজটি করার জন্য www.google.com/addurl এ যেতে হবে অথবা গুগল এ submit url লিখে সার্চ দিতে হবে। তারপর দেওয়া লিংকটিতে প্রবেশ করতে হবে এবং নিজের সাইট এর এড্রেসটি লিখতে নির্দিষ্ট বক্সে তারপর captcha entry করতে হবে, তারপর সাবমিট এ ক্লিক করুন।

কিভাবে ব্লগে মেটা ট্যাগ যোগ করা যায়?:

প্রথমে ব্লগার একাউন্টে লগিন করতে হবে। তারপর চলে যেতে হবে blogger dashboard>>template>>edit template। কোন কিছু পরিবর্তন করার পূর্বে টেমপ্লেট ডাউনলোড করে রাখতে হবে। বর্তমানে সব template এ মেটা ট্যাগ এর কোড দেয়া থাকে। এরপর দেখতে হবে টেমপ্লেটে নিচের কোড আছে কিনা। description ও keyword যদি থাকে ভাল। না থাকলে নিচের কোড কপি করে <head> এই কোড এর নিচে পেস্ট করে দিতে হবে।

<b:if cond=’data:blog.url == data:blog.homepageUrl’>

<META NAME=”Description” CONTENT=” ব্লগের বিবরন দিতে হবে ” />

</b:if>

<META NAME=”Keywords” CONTENT=” কি ওয়ার্ড গুলি কমা দিয়ে লিখতে হবে ” />

<META NAME=”Author” CONTENT=”নিজের  নাম ” />

<META NAME=”Robots” CONTENT=”All” />

 ব্লগের বিবরন দিতে হবে = এখানে ব্লগটি কি সম্পর্কে তা আলোচনা করতে হবে, তবে খেয়াল রাখতে হবে ১৫০ ওয়ার্ড এর বেশি যেন না হয়।

কি ওয়ার্ড গুলি কমা দিয়ে লিখতে হবে = এখানে ব্লগের কি ওয়ার্ড বসাতে হবে। কি ওয়ার্ড বলতে ব্লগ কি সম্পর্কে তা সংক্ষেপে কি ওয়ার্ড আকারে লিখতে হবে। ব্লগের জন্য কি ওয়ার্ড অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রত্যেকটা কি ওয়ার্ড এর মাঝে কমা দিয়ে আলাদা করে দিতে হবে। এবার  save template এ ক্লিক করতে হবে।

প্রয়োজনীয় কিছু মেটা ট্যাগ:

টাইটেল মেটা ট্যাগের ব্যবহার

টাইটেল মেটা ট্যাগ মানে বোঝাই যাচ্ছে এটা ব্যবহারিত হয় ওয়েবসাইটের শিরোনাম বা টাইটেল দেবার জন্য। এসইও তে টাইটেল মেটা ট্যাগ বিশেষ কোন কাজে আসে না। তবে একটি সুন্দর টাইটেল ওয়েবসাইটে অধিক ভিজিট (CRT) বাড়তে পারে। পছন্দের কী-ওয়ার্ডের দ্বারা টাইটেল ট্যাগ লেখার সময় কিছু কিছু বিষয় মাথায় রেখে কাজ করলে এইসও তে সৌন্দর্য আরো বৃদ্ধি হবে। যেমন:

  • টাইটেলকে ৬৫ অক্ষরের মধ্যে রাখা
  • যথাসম্ভব ছোট করে টাইটেল দেওয়া এবং টাইটেল এ টার্গেটকৃত কীওয়ার্ডটি ব্যবহার করা।
  • টাইটেল এ ( @, #,!,%,^,() ….) এই ধরণের চিহ্ন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকা।
  • টাইটেল ট্যাগটিকে এমন ভাবে লিখতে হবে যাতে করে যে কেউ টাইটেল পড়ে সাইটে প্রবেশ করতে আগ্রহী হয়।

কী-ওয়ার্ড মেটা ট্যাগের ব্যবহার

কী-ওয়ার্ড ট্যাগ হল ওয়েবসাইটে যেসকল কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করা হয় তার একটা সূচিপত্র হিসাবে কাজ করে থাকে। SEO জন্য এই মেটা ট্যাগটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে থকে। এই মেটা ট্যাগ এর মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিন গুলোকে ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানাতে পারে। চমৎকার ও সুন্দর কী-ওয়ার্ড বাছাইয়ের মাধ্যমে SEO তে কাংখিত ফলাফল পওয়া যায়। keywords-Meta Tag টি এমন

< meta name=”keywords” content=”some keyword,another keyword” />

এক একটি কী-ওয়ার্ড এর পর কমা ব্যবহার করতে হবে।

উদহরন: <meta name=”keywords” content=”mom, baby, babies, mom365, pregnancy, pregnant, toddler, baby names, birth, delivery”/>

উপরের কোড এডিট করে সাইটের রিসার্চ করা কিওয়ার্ড দিতে হবে।

Description মেটা ট্যাগের ব্যবহার

Description ট্যাগটি ব্যবহার করা হয় ওয়েবসাইটের বা ওয়েব পেইজের একটা ছোট Description বা বর্ণনা দেবার জন্য। আমরা যেমন একটা বিশদ বিষয়ের অনেক সময় সংক্ষেপে প্রকাশ করি তেমনি Description ট্যাগের মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনকে ওয়েব পেইজের একটা সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেয়া হয়। সুন্দর একটা Description লেখার জন্য নিম্নোলিখিত বিষয় গুলি খেয়াল রাখতে হবে।

  • Description টি ২৫০ অক্ষরের মধ্যে রাখতে হবে। কেননা প্রায় সকল সার্চ ইঞ্জিন ২৫০ অক্ষরের বেশী Description হলে তাদের SERPs (Search Engine Result Page) পেইজে প্রকাশ করে না।
  • এই ট্যাগে বানান যেন ভুল না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
  • ট্যাগটিতে পছন্দের কী-ওয়ার্ড লিখতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে কোন কী-ওয়ার্ড বা বিষয় যেনো ৩ বারের বেশি ব্যবহার করা না হয়।

এই মেটা ট্যাগটিও ওয়েবসাইটের জন্য গুরুত্বপূর্ন। এটি সার্চ ইঞ্জিন এ ওয়েবসাইটের মুল বিষয়গুলোকে তুলে ধরে। মুলত ওয়েবসাইটে কি আছে তা বুঝানোর জন্য এ ট্যাগটি ব্যবহার করা হয়। Meta Tag টি এমন

< meta name=”description” content=”A blurb to describe the content of the page appears here”/>

এখানে সাইট সম্পর্কে সংক্ষেপে Description থাকবে।

উদহরন: <meta name=”description” content=”Discover Mom365, your one-stop newborn photography, pregnancy &amp; parenting site for moms. From baby names, breastfeeding and much more – we have you covered!”/>

Author- Meta Tag

এই মেটা ট্যাগের মাধ্যমে ভিজিটরদের জানানো যায় সাইটটি কে করেছে বা লিখেছে। Meta Tag টি এমন

<meta name=”author” content=”Sojib Rahman” />

Revisit-After- Meta Tag

এই মেটা ট্যাগ টি ব্যবহার করলে সার্চ ইঞ্জিন এর রোবট একটি নিদিষ্ট সময় অন্তর অন্তর ওয়েবসাইট ভিজিট করে ইনডেক্স করবে।

<meta name=”revisit” content=”15 days”/>

যেমন এই ট্যাগটি ব্যবহার করলে সার্চ ইঞ্জিন এর রোবট ওয়েবসাইটটি ১৫ দিন পর পর রিভিজিট করবে। প্রয়োজন অনুযায়ী সময় পরির্বতন করে দেওয়া যাবে।

Refresh- Meta Tag

এই মেটা ট্যাগটিও বেশ প্রয়োজনীয়। যারা প্রতি মিনিটে মিনিটে সাইট আপডেট করে তারা এই মেটা ট্যাগটি থেকে উপকার পাবে। ভিজিটররা এরকম সাইট বার বার রিফ্রেশ করতে বিরক্ত বোধ করে। তাই এই ট্যাগের মাধ্যমে অটো রিফ্রেশ এর সময় বেধে দেওয়া যায়। এই মেটা ট্যাগ ব্যবহার করলে একটা নিদির্ষ্ট সময় পর পর সাইট অটো রিফ্রেশ হবে

<meta http-equiv=”refresh” content=”600″>

এ ট্যাগটি সাইটে যোগ করার ফলে ৬০০ সেকেন্ড পর পর মানে ৫ মিনিট পর পর সাইট অটোরিফ্রেশ হবে।

Robots- Meta Tag:

এই মেটা ট্যাগটি সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য অনেক বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। এই ট্যাগের মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিন এর রোবট কে জানানো যায় যে, ওয়েবসাইটকে সে ইনডেক্স করবে কি করবে না।

<META NAME=”ROBOTS” CONTENT=”INDEX,FOLLOW”>

যদি এই ট্যাগটি ব্যবহার করা হয় তাহলে সার্চ ইঞ্জিন এর রোবট বুঝবে ওয়েবসাইটি তারা ইনডেক্স করতে পারে।

<META NAME=”ROBOTS” CONTENT=”NOINDEX, NOFOLLOW”>

আর যদি এ ট্যাগটি ব্যবহার করা হয় তাহলে সার্চ ইন্জিন এর রোবট বুঝবে সাইটকে ইনডেক্স না করার জন্য বলা হচ্ছে।

Robots এর আর কিছু প্রয়োজনীয় মেটা ট্যাগ রয়েছে। যেমন:

ARCHIVE- Meta Tag:

এ ট্যাগের মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনে সকল ডাটা আর্কাইভ আকারে রাখা যাবে। আর্কাইভ আকারে রাখতে চাইলে এই ট্যাগটি <meta name=”robots” content=”ARCHIVE” /> আর তা যদি না চাই তাহলে ><meta name=”robots” content=”NOARCHIVE” /> ট্যাগটি ব্যবহার করতে হবে।

ODP/YDIR- Meta Tag:

ODP মানে হল DMOZ ওপেন ডিরেক্টরি প্রজেক্ট। যখন একটি সাইট থেকে গুগল সার্চ ইঞ্জিন এর রোবট কোন description ট্যাগ পায়না তখন তারা DMOZ এর সাহায্য নেয়। তারা DMOZ থেকে তথ্য নিয়ে সাইটের description দেয়। গুগলকে এ ধরনের কাজ হতে যদি বিরত রাখতে চাই তাহলে নিম্নের এই ট্যাগটি দেওয়া যাবে।

<meta name=”robots” content=”NOODP” />

আর যদি চাই গুগল কাজটি করুক তাহলে নিম্নের এই ট্যাগটি দেওয়া যাবে।

<meta name=”robots” content=”ODP” />

গুগলের মত ইয়াহু ও এ কাজ করে থাকে। তবে এক্ষেত্রে ইয়াহুর তাদের নিজেস্ব ওপেন ডিরেক্টরি প্রজেক্ট (YDIR) ব্যবহার করে থাকে। তাই ইয়াহুর ক্ষেত্রে

<meta name=”robots” content=”NOYDIR” />

ও<meta name=”robots” content=”YDIR” />

এই কোড গুলো দেওয়া যাবে। ।

ইন্টারনেটে বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে বিশেষ কিছু সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য আলাদা আলাদা robots মেটা ট্যাগ ব্যবহার করা হয় যেমন

গুগলের জন্য <meta name=”googlebot” content=”index”>

ইয়াহুর জন্য <meta name=”Slurp” content=”index”>

MSN এর জন্য <meta name=”msnbot” content=”index”>

Language META Tag:

এই মেটা ট্যাগের মাধ্যমে ওয়েবসাইটি কোন ভাষায় লেখা তা জানা যাবে। সাধারণত বেশীর ভাগ সাইটটে ইংরেজী ভাষা ব্যবহার করা হয়। এই ট্যাগটি এমন

<META HTTP-EQUIV=”Content-Language” content=”EN”>

ওয়েবসাইটে <H1> থেকে  <H6> ট্যাগ ব্যবহার করা

ওয়েবসাইটের পেইজ গুলোতে শিরোনাম ব্যবহার করলে তা অবশ্যই h1,h2,h3,h4,h5,h6 ট্যাগ গুলোর মধ্যে ব্যবহার করা উচিৎ। কারণ সার্চ ইঞ্জিন গুলো ওয়েবসাইটের Bold <b> ,Italic <it> Underline <u> এই ট্যাগ গুলো তাদের এললগারিদমের মধ্যে পড়ে না। তাই সার্চ ইঞ্জিন <H1> থেকে  <H6> ট্যাগ গুলোকে এড করার চেষ্টা করে। কোন সার্চ ইঞ্জিন যখন কোন পেইজ ক্রাউলিং করে তখন সে যদি <H1> থেকে  <H6> এর মধ্যে কোন ট্যাগ খুজে পায় তাহলে সে সেটিকে ঐ কন্টেট বা পেইজ এর হেডলাইন বা শিরোনাম হিসাবে গ্রহণ করে। তাই অন-পেইজ অপটিমাইজেশনে এই ট্যাগ গুলো ব্যবহার করলে সার্চ ইঞ্জিন জন্য ওয়েবসাইটি অনেক অংশেই তৈরী হয়ে যাবে। নিম্নে এর ব্যবহার দেওয়া হলো:

  • কোন লেখা শুরু করার প্রথমেই <H1> ট্যাগ শিরোনাম হিসাবে ব্যবহার করা উচিৎ।
  • এই ট্যাগের মধ্যে কাংখিত কী-ওয়ার্ডটি ব্যবহার করা।
  • যথা সম্ভব ৬০ অক্ষরের মধ্যে রাখতে চেষ্টা করা।
  • একই কী-ওয়ার্ড বার বার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকা। তানাহলে সার্চ ইঞ্জিনগুলো এটিকে স্প্যামিং হিসাবে ধরে নিবে।
  • লেখার মাঝখানে মাঝখানে <h2> বা অন্য গুলো উপ শিরোনাম হিসাবে ব্যবহার করার চেষ্টা করা। এতে করে সাইটটি অনেকটা ন্যাচারেল মনে হবে। আর প্রতিটি সার্চ ইঞ্জিনই সাইটের নমনীয়তা বা ন্যাচারেল ভাবটিকে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে

এক্সএমএল সাইট ম্যাপ কি?

সাইট বলতে ওয়েবসাইটকে বুঝায় এবং ম্যাপ অর্থ মানচিত্র বা চিত্র। সাইট ম্যাপ হচ্ছে একটি ওয়েবসাইটের ম্যাপ। অর্থাৎ একটি ওয়েবসাইটের কোথায় কোন পোস্ট, ইমেজ, ক্যাটাগরি আছে তার একটি ম্যাপ। সাইট ম্যাপ হলো ওয়েবসাইটের কোথায় কি আছে তারই একটা ভার্চুয়াল ম্যাপ যার মাধ্যমে গুগল ওয়েবসাইটের প্রতিটি পেইজ সম্পর্কে জানতে পারে। একটি ওয়েবসাইটকে গুগলে রাংক করানোর জন্য সাইট ম্যাপ তৈরি করা একটি খুব দরকারি কাজ। এটি না করলে গুগলে সহজে রাংক পাওয়া যাবে না। সাইট ম্যাপ একবার করে দিলে গুগল এর রোবট প্রতিদিন ওয়েবসাইটে ক্রল করবে এবং ওয়েবসাইটের প্রতি দিনের আপডেট একবার করে গুগলে যুক্ত হবে। আর এই ভাবে প্রতিনিয়ত গুগল এর কাছে ওয়েবসাইট আপটুডেট থাকবে। এক্সএমএল সাইটম্যাপ হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে জনপ্রিয় সকল সার্চ ইঞ্জিন ব্লগ বা ওয়েবসাইটের নিয়মিত প্রকাশিত নিবন্ধ বা উপাদান সম্পর্কে অবগত হয় এবং আপডেটকৃত ফলাফল সমুহ সার্চ ইঞ্জিন সহজেই বুঝতে পারে এতে করে সার্চ ইঞ্জিনের সাথে ব্লগ বা ওয়েবসাইটের ভাল সম্পর্ক তৈরি হয়। সাইটম্যাপ গুলোকে এক্সএমএল এর মাধ্যমে তৈরি করা হয় বলে এক্সএমএল সাইটম্যাপ বলা হয়। XML এর পুর্ণরুপ হচ্ছে Extensible Markup Language। সাইটম্যাপ এক ধরনের xml ফাইল, যে ফাইলের ভিতরে একটি ওয়েবসাইটের সকল URL থাকে। সাইটম্যাপ গুগেলের ইনডেক্সের মধ্য দিয়ে ওয়েবসাইট আপডেট রাখতে সাহায্য করে। তাই, একটি ওযেবসাইটের জন্য Xml sitemaps খুবই গুরুত্বপূর্ণ। XML ফরমেট এর ফাইল গুলোকে সার্চ বোট অনেক সহজ ভাবে ক্রাউলিং করতে পারে। তাই  XML Sitemaps হলো এমন একটি ফাইল যেখানে ওয়েবসাইটের সব লিংক  গুলো একসাথে একটির পর একটি সাজানো অবস্থায় থাকে। আর যখন সার্চ বোট গুলো এই ফাইলের মধ্যে প্রবেশ করে তখন সে সব গুলো লিংকেই ইনডেক্স করার চেষ্টা করে। তাই XML Sitemaps হল সব পেইজ গুলোকে দ্রুত ইনডেক্স করানোর জন্য সবচেয়ে ভালো উপায়।

গুগল এক্সএমএল (XML) সাইটম্যাপ কি?: 

গুগল এক্সএমএল সাইটম্যাপ হচ্ছে একটি বিশেষ ধরনের প্লাগিন যা ওয়ার্ডপ্রেস প্ল্যাটফর্ম এর উপরে নির্মিত। ব্যবহারকারিদের সুবিধার্থে ওয়ার্ডপ্রেস প্ল্যাটফর্মের জন্ম হয় এবং এই প্লাটফর্মকে আরো সহজ করে তুলতে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন প্লাগিন তৈরি হচ্ছে। ব্লগ ব্যবহারকারিদের সুবিধার্থে সাইটম্যাপ তৈরির জটিলতা অবসানের জন্য “গুগল এক্সএমএল সাইটম্যাপ” নামক প্লাগিনটি নির্মাণ করা হয়েছে।

কেন এক্সএমএল সাইট ম্যাপ তৈরি করা প্রয়োজন?:

সাইট ম্যাপ তৈরি করার অনেক প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। ওয়েবসাইটের একটি ম্যাপ তৈরি করে তা গুগল বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনে দিলে তাদের রোবট বা ক্রলার যখন ওয়েবসাইটে ইনডেক্স করার জন্য আসবে তখন তাদের খুঁজে পেতে সহজ হবে কোথায় কোন পোস্ট আছে, ইমেজ আছে বা ক্যাটাগরি আছে। তখন তারা সহজেই ওয়েবসাইটের পোস্ট বা অন্যান্য বিষয়গুলো ইনডেক্স করতে পারবে। এসইও এর পয়েন্ট অব ভিউ থেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে এই সাইটম্যাপ। যদি সাইটম্যাপ কোথাও সাবমিট করা না হয়, তাহলে সার্চ র‍্যাঙ্কিং এ সাইট কখনোই আসবে না এবং সাইটের পেইজগুলো কখনোই ইনডেক্স হবে না। যদি সাইটম্যাপ সাবমিট করা থাকে তাহলে এই সাইটম্যাপই সাহায্য করবে পেজ ইনডেক্সিং করতে। নতুন ওয়েবসাইট বা ব্লগ এর জন্য সাইটম্যাপ অনেক উপকারী। নতুন ব্লগ এ কখনোই সম্ভব না তার আলাদা আলাদা পোষ্টগুলোর জন্য অনেকগুলো ব্যাক্লিঙ্কস তৈরি করা। এটা অনেকটা কঠিন হয়ে দাড়ায় সার্চ ইঞ্জিনে ব্লগ পোস্টগুলো সামনের সারিতে নিয়ে আসা। ওয়েবসাইটে আরো কার্যকরভাবে সার্চ ইঞ্জিনের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুমতি দেয় এই সাইটম্যাপ। এ কারনেই সাইটম্যাপ সাবমিট করা প্রয়োজন।

কেন গুগল এক্সএমএল (XML) সাইটম্যাপ ব্যবহার করা হয়?: 

ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ ব্যবহারকারিরা সহজেই তাদের প্লাগিন এরিয়া থেকে গুগল এক্সএমএল সাইটম্যাপ ইন্সটল করে নিতে পারে। ব্লগকে সার্চ ইঞ্জিনের আয়তায় আনতে এইধরনের প্লাগিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে থাকে। বিশেষ করে ব্লগটি যদি ওয়ার্ডপ্রেস দ্বারা তৈরি হয় তবে এই প্লাগিন ব্যবহার করলে ভালো।

কিভাবে ওয়েবসাইটের জন্য সাইট ম্যাপ তৈরী করা যায়:

ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহারকারী হলে খুব সহজে ওয়েবসাইটের জন্য সাইটম্যাপ তৈরী করা যায়। এক্ষেত্রে প্রয়োজন হবে, একটি প্লাগইন। Yoast SEO বা All in One SEO Pack plugin দিয়ে সাইটম্যাপ তৈরি করা যায়।

সাইট ম্যাপ তৈরি করতে প্রথমে http://www.xml-sitemaps.com ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।
এরপর এখানে বক্সে ওয়েবসাইটের লিংক দিতে হবে। তবে https ও www. ছাড়া ঠিকানাটি দিতে হবে। এবার start এ ক্লিক করতে হবে। এরপর দেখা যাবে পাঁচ মিনিট এর মধ্যে সাইট ম্যাপ তৈরি হয়ে গেছে। এরপর সাইট ম্যাপ টি ডাউনলোড করে নিতে হবে। xml সাইট ম্যাপটি সাবমিটের জন্য প্রথমে সাইট ম্যাপটি সাইটের root ফোল্ডারে আপলোড করতে হবে। এরপর WEB MASTER TOOL এ সাইট ম্যাপ টি এ্যাড করতে হবে। যদি সাইট হয় exampal.com তা হলে সাইট ম্যাপটি আপলোড লিংক হবে exampal.com/sitemap.xml। এরপর সাইট ম্যাপের এই লিংক দিয়ে সাবমিট করতে হবে। কয়েক ঘন্টার মধ্যেই সাবমিট করা সাইটি গুগল ইনডেক্স করে নিবে।

কিভাবে ওয়েবসাইটে সাইট ম্যাপ যুক্ত করবো:

এজন্য ওয়েবসাইটের Cpanel এ যেতে হবে এবং file manager এ প্রবেশ করতে হবে। এবার public_html ফোল্ডারটি ওপেন করতে হবে, এখন এই ফোল্ডারে upload এ ক্লিক করে তৈরি করা সাইট ম্যাপটি public_html ফোল্ডারে যুক্ত করতে হবে। তাহলেই হয়ে গেল সাইট ম্যাপ যুক্তকরন।

সাইট ম্যাপ কিভাবে google search console এ যুক্ত করবো:

প্রথমে গুগল সার্চ কনসোল (পূর্ব নাম webmaster tool) এ লগইন করতে হবে এবং বাম পাশের সাইট ম্যাপ এ ক্লিক করতে হবে। এবার ডাউনলোড করা site map টি সিলেক্ট করতে হবে এবং এ্যাড করতে হবে google webmaster tool এ । এরপর সাবমিট করার কিছু ক্ষন পর এটা কাজ করবে।

উপরে উল্লেখিত সব পদ্ধতি অনুসরন করে সফলভাবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এস ই ও) করা সম্ভব।

Leave a Reply